143
ডেস্ক রিপোর্ট:প্রবাসী সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত জিয়াউর রহমানই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।
শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দাউদকান্দি উপজেলা জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি একথা বলেন। বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের মুক্তি দাবিতে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ২৬ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসী সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত জিয়াউর রহমানই এদেশের রাষ্ট্রপতির ভূমিকায় অবর্তীণ হয়েছিলেন। সুতরাং এ কথা এখন অস্বীকার করার মত কিছু নেই। এখনই সময় সত্যকে উদঘাটন করে প্রকৃত সত্যকে বের করা।
বর্তমান সরকার, সরকারি কর্মচারী ও নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে সবচেয়ে বড় বাঁধা বলে মন্তব্য করেন রফিকুল ইসলাম।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারকে হঠাতে গণঅভ্যুত্থানের কোনো বিকল্প নেই। কারণ বর্তমান স্বৈরাচার সরকারের অধীনে দেশের জনগণ ও গণতন্ত্র নিরাপদ নয়।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির এ নেতা বলেন, এখনও সময় আছে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার রক্ষায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মসূচি গ্রহণ করুন, অন্যথায় এর ফল আপনাদেরকে বহন করতে হবে।
‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা না’ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রফিকুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বীরউত্তম উপাধি দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমানকে । কিন্তু এখনও শেখ হাসিনা বলছেন জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা নয়। একজন প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশের জনগণ এ ধরনের অসত্য বক্তব্য আশা করেন না।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, রফিক শিকদার, সহ-দপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ড. খন্দকার মোশাররফের ছেলে ড. মারুফ হোসেন প্রমুখ।
শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দাউদকান্দি উপজেলা জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি একথা বলেন। বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের মুক্তি দাবিতে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ২৬ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসী সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত জিয়াউর রহমানই এদেশের রাষ্ট্রপতির ভূমিকায় অবর্তীণ হয়েছিলেন। সুতরাং এ কথা এখন অস্বীকার করার মত কিছু নেই। এখনই সময় সত্যকে উদঘাটন করে প্রকৃত সত্যকে বের করা।
বর্তমান সরকার, সরকারি কর্মচারী ও নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে সবচেয়ে বড় বাঁধা বলে মন্তব্য করেন রফিকুল ইসলাম।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারকে হঠাতে গণঅভ্যুত্থানের কোনো বিকল্প নেই। কারণ বর্তমান স্বৈরাচার সরকারের অধীনে দেশের জনগণ ও গণতন্ত্র নিরাপদ নয়।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির এ নেতা বলেন, এখনও সময় আছে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার রক্ষায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মসূচি গ্রহণ করুন, অন্যথায় এর ফল আপনাদেরকে বহন করতে হবে।
‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা না’ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রফিকুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বীরউত্তম উপাধি দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমানকে । কিন্তু এখনও শেখ হাসিনা বলছেন জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা নয়। একজন প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশের জনগণ এ ধরনের অসত্য বক্তব্য আশা করেন না।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, রফিক শিকদার, সহ-দপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ড. খন্দকার মোশাররফের ছেলে ড. মারুফ হোসেন প্রমুখ।
