200
মোঃ সাজ উদ্দিন সাজু, জৈন্তাপুর থেকে: চার বছর আগে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় পা হারানো ছয় বছরের মেয়ে জান্নাত’র কৃত্রিম পা লাগানোর আকুতি। ২০১৮ সালে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শে ডান পায়ের হাঁটুর নিচ থেকে কেটে ফেলা হয় জান্নাত’র পায়ের অংশ। তারপর শিশু মেয়েটি সুস্থ হয়ে ক্রাচ দিয়ে চলাফেরা করতে শুরু করে। সে সময় চিকিৎসকরা কৃত্রিম পা লাগানোর পরামর্শ দেন। অভাব-অনটনের কারণে কৃত্রিম পা লাগানোর টাকা জোগাড় করতে পারেননি শিশু জান্নাত আক্তার রিয়ার পিতা।
জৈন্তাপুর উপজেলার ০৬ নং চিকনাগুল ইউনিয়নের পূর্ব সাতজনি গ্রামের হতদরিদ্র দিনমজুর কয়েছ আহমদ। বর্তমানে শিশু মেয়ে জান্নাত আক্তার রিয়া বয়স ০৬ বছর। শিশুটির পিতা কয়েছ আহমদ বলেন, যে বয়সে আমার মেয়েটি অন্য বাচ্চাদের মতো স্কুল মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা কিন্তু সড়ক দূর্ঘটনায় পা হারিয়ে সারাজীবনের কান্না হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডাক্তার বলছেন প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে যদি কৃত্রিম পা লাগানো যায় সে চলাফেরা করতে পারবে। আমি দিনমজুর মানুষ বর্তমান সময়ে পরিবার নিয়ে ভাত খেয়ে বেঁচে থাকা যেখানে কঠিন সময় পার করছি সেখানে কৃত্রিম পা লাগানো কোনোভাবে সম্ভব হচ্ছে না। ডাক্তারের পরামর্শ মতে কৃত্রিম পা লাগাতে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার প্রয়োজন, যা আমার পক্ষে সংগ্রহ করা সম্ভব নয়।
আমি সমাজের সকল বিত্তবান এবং জৈন্তাপুর প্রবাসী গ্রুপের কাছে নিবেদন জানাচ্ছি আমার শিশু মেয়ে জান্নাত’র জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে একটি কৃত্রিম পা লাগানোর জন্য সমাজের সবাই এগিয়ে আসবেন। শিশু মেয়ে জান্নাত’র জন্য সহযোগিতা পাঠাতে ও যোগাযোগ পিতা কয়েছ আহমদ +8801737482173 (পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার)।
