সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার প্রায় বিশটি গ্রামের নিরাপত্তার সাথে জড়িত ‘কালিঞ্জিবাড়ি বাঁধ’ সংস্কারে মাটি ভরাটের কাজ করে দিলো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মুক্তিছায়া ফাউন্ডেশন। ৩০ মে শনিবার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শাহীদুল মুরছালীন’র তত্ত্বাবধানে ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক টিম ও জৈন্তাপুরের আনসার ভিডিপির সদস্যদের সহায়তায় বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
উপজেলার ১নং নিজপাট ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে অবস্থিত এই বাঁধ ১নং নিজপাট ও ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়নের প্রায় বিশটি গ্রামের নিরাপত্তার কাজ করে। এর আগে এই বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কয়েক শত পরিবার।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় কালিঞ্জিবাড়ি বাঁধের কয়েক জায়গায় ফাটল ও গর্তের সৃষ্টি হয়। যার ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
মুক্তিছায়া ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শাহীদুল মুরছালীন বলেন, কালিঞ্জিবাড়ি বাঁধটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ার ফলে বাঁধের পাশের মাটি ক্ষয় হয়ে দূর্বল হয়ে পড়েছে। আকষ্মিক বন্যা বা পাহাড়ি ঢলের তান্ডব সামাল দিতে বাঁধটি অনুপযোগী হয়ে ওঠায় এলাকার মানুষ আতঙ্কে দিন পার করছেন। এমতবস্থায় মুক্তিছায়া ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক টিম জৈন্তাপুরের আনসার ভিডিপির সদস্যদের সহায়তায় বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটি ভরাটের কাজ করেছে।পুরো বাঁধ সংস্কারের কাজ অত্যন্ত ব্যয়বহুল।বাঁধটির দ্রুত পূর্নাঙ্গ সংস্কার কাজ না হলে যে কোন মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কয়েক শত পরিবার। তিনি সরকারি, বেসরকারি সংস্থা ও বিত্তবানদের বাঁধ সংস্কারের কাজে সহায়তা প্রদান করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বাঁধ সংস্কারের কাজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক আলী আকবর সিদ্দিক, রুবেল আহমদ, এম জসিম উদ্দিন এবাদুর রহমান জুয়েল, শাহজাহান, নুরুজ্জামান মিফতাহ, মাহবুবুল আম্বিয়া, টিম কোঅর্ডিনেটর অলিউর রহমান, দাতা সদস্য জনাব শামীম আহমদ সহ ফাউন্ডেশনের এক ঝাঁক তরুনের স্বেচ্ছাসেবক টিম।
জৈন্তাপুরে গ্রাম রক্ষা বাঁধ সংস্কারের কাজ করলো মুক্তিছায়া ফাউন্ডেশন
206
previous post
