তিমির বনিক,শ্রীমঙ্গল থেকে:র্দীঘ ৩ বছরের বৈবাহিক জীবনের সমাপ্তি ঘটলো। শ্রীমংগল শহরের পূর্বাসা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার স্থানীয় প্রতিনিধি গত শনিবার ২৮,১১,২০২০ইং গৃহবধূর(অনিতা) অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয় পলি ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান। চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে রবিবার সকালে চিকিৎসক গৃহবধুর অবস্থা অবনতি হতে দেখে অন্যর্থ উন্নত চিকিৎসার জন্য পরামর্শ করলে, গৃহবধুকে নিয়ে সিলেট মুখী রওয়ানা হোন।
এবং রাগীব রাবেয়া হাসপাতাল সিলেট ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা চালিয়ে যান। গৃহবধূর অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে আই সি ইউ-তে স্থানান্তর করেন এবং মংগলবার ১,১২,২০২০ইং সকাল ১০,২০মিনিটে সময় কর্তব্যরত ডাঃ মৃত ঘোষনা করেন। গৃহবধূ (অনিতার) পরিবার অভিযোগ তুলে আইনের শরণাপন্ন হন এবং অভিযোগে বলেন গৃহবধূ (অনিতা) পিতা শংকর দাস অভিযোগে বলেন পারিবারিক ভাবে নির্যাতনে মৃত্যু হয়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গৃহবধূ (অনিতা) মৃতদের ময়নাতদন্তের জন্য শ্রীমংগল থানা পুলিশের সহযোগিতায় মৌলভীবাজার মর্গে ময়নাতদন্ত হয়ে ২,১২,২০২০ইং বুধবার মৃতদের নিয়ে আসেন শ্রীমংগল পৌর শশানে সৎকারের জন্য। এখন গৃহবধূ (অনিতা) মৃত্যু স্বাভাবিক নাকি হত্যা তা ময়নাতদন্তের রির্পোট অনুয়ায়ী বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন।
