করমপুরে অবৈধভাবে টিলা কেটে (সওজ) রাস্তা যেন মরণ ফাঁদ

by News Room

বড়লেখা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের (সওজ লাতু জলডুপ সড়কে) করমপুর বুলবুলী ছড়া থেকে করমপুর চৌমুহনী দোকান পর্যন্ত,করমপুর গ্রামের মৃত আয়াজ আলীর ছেলেরা,দীর্ঘ দিন ধরে টিলার কেটে মাটি বিক্রি করে আছেন,ফলে গ্রামের রাস্তার অবস্থা নাজুক পিচ ঢালা সড়ক মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে, পাশাপাশি বর্ষাকালর বৃষ্টির সময় টিলার মাটি কেটে দেন মালিক পক্ষ,ফলে রাস্তার দু পাঁশের টিলার মাটি পড়ে,এবং টিলার পানি ভেসে, পড়ে থাকা বালি বেশী দামে বিক্রি করে তারা ব্যবসায়ীদের কাছে। কিন্তুু দেখা যাচ্ছে এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শাহবাজপুর আতুয়া-বড়াইল,করমপুর ,বিয়ানীবাজার উপজেলার নওয়াগ্রাম,বড়উধা,চাতলপার,সাদিমাপুর,সারপার,আষ্টঘরীর জনসাধারণের চলাচল ,স্কুল কলেজ মাদ্রসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করছে প্রতিনিয়ত সরকার ঘোষিত লকডাউন হলেও শিক্ষা প্রতিষ্টানের অ্যসাইমেন্ট চলমান তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয় শিক্ষার্থীর, উল্লেখ্য রাস্তার উভয় পাঁশে ড্রেন ব্যবস্থা থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয় পরিনত হয় হাঁটু কাঁদা রাস্তা।শাহবাজপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আবিদা সুলতানা বলেন আমরা সারা পথ আসি পিচ রাস্তায় জুতা পায়ে দিয়ে আসি কিন্তু করমপুরের টিলা কাঁটা স্থানে আসলে জুতা হাতে নিয়ে রাস্তা পাড়ি দিতে হয়।
বড়াইল গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বলেন আজ সকালে আমার অসুস্থ্য মাকে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার জন্য রওয়ানা দেই (সিএনজি) যোগে করমপুর রাস্তার উপর পড়ে থকদাকা পিচিল মাটিতে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ না করতে পেরে চালক গর্তে পড়ে যায় আল্লাহ বিপদ থেকে রক্ষা করেছেন।
শাহবাজপুর ২৩৫৯ অটোরিকশা শ্রমিক সভাপতি বলেন উত্তর বাজার (সি,এন,জি)স্ট্যান্ডের চালকগণ বার বার আমাদের নিকট অভিযোগ করেন
আমরা রাস্তার দূরাঅস্থার বিষয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে মৌখিকভাবে অবগত করি,কিন্তু কোন সুফল পাইনি ।

প্রসঙ্গতঃ১৫ অক্টোবর ২০২০ সালে অবৈধভাবে টিলা কেঁটে মাটি পরিবহনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ অনুযায়ী দুই চালককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কিন্তু এর পরেও মালিক পক্ষ সাবধান হয় নাই।
উক্ত বিষয়টি সম্পর্কে ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন সাহেব কে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বলেন রাস্তার দূরাঅবস্থা ও টিলা কাঁটা সম্পর্কে আমার জানা নেই, উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে টিলা কাঁটা ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহন করবো।

You may also like

Leave a Comment