ডেস্ক রিপোর্ট:: সিলেট ওসমানী হাসপাতালে শিক্ষানবিশ সেবিকাদের উপর শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের হামলার ঘটনায় বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত সমঝোতা বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। এরপর থেকে আবারও নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে এই ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন উপ-সচিবকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কিন্তু ইন্টার্ন নার্সরা তাদের দাবির প্রতি অনড় থাকায় সমঝোতা বৈঠকটি কোনোও সিদ্ধান্ত ছাড়াই বর্থ্য হয়।
ইন্টার্ন নার্সরা বলছেন, দোষী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এদিকে উদ্ভূত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার তদন্তে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একজন উপ-সচিবকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে ওই উপ-সচিব সিলেটে এসে পৌঁছাবেন বলে সিলেটভিউ টোয়েন্টিফোরকে জানিয়েছেন ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোর্শেদ আহমদ চৌধুরী।
উল্লেখ্য যে, রবিবার রাত সাড়ে ১২টায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে কথা কাটাকাটির জের ধরে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা শিক্ষানবিশ সেবকদের ওপর হামলা চালায়। এতে পলয় কুমার নামের এক শিক্ষানবিশ ব্রাদার গুরুতর আহত হন। এছাড়া হামলায় আহত হন আরো পাঁচ শিক্ষানবিশ নার্স।
হামলাকারী শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের শাস্তির দাবিতে সোমবার সকাল থেকে নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে হাসপাতালে সেবাদান থেকে বিরত রয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে মঙ্গলবার সিলেট নার্সিং কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেয়া হলেও শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে হলে অবস্থান করছে।
