মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১১টায় কলেজ ক্যাম্পাসে শহীদ মিনার চত্বরে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০১৪ এর স্বাগত সংগীত ‘চার চক্কা হই হই’ এর সাথে শত শত শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহন করে। পরে কলেজ সংলগ্ন টিলাগড় পয়েন্টে শিক্ষার্থীরা স্যুটিং-এ অংশ নেয়।
অচিরেই এটির ভিডিও সংস্করণ ইউটিউবে দেখা যাবে। সহযোগিতায় ছিল এমসি কলেজের জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন মোহনা। ফ্ল্যাশ মোবের কম্পোজিশন করেন কলেজের শিক্ষার্থী জামিল এবং সহযোগিতায় ছিলেন তমালিকা।
সকাল থেকেই ফ্ল্যাশ মোবকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা দেখা যায়। বর্ণিল সাজে সিলেটের সবচেয়ে প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ফ্ল্যাশ মোবে অংশগ্রহণ করে।
এসময় শহীদ মিনার চত্বরে শত শত শিক্ষার্থীরা ফ্ল্যাশ মোব উপভোগ করে। মোহনা সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য ছাড়াও কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও এতে ছিল বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সম্পাদক দোলন আহমদ।
আইসিসি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম প্লেজার ইভেন্ট ফ্ল্যাশ মোব বাংলাদেশে অপরিচিত হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে তুমুল জনপ্রিয় এই গীতিনৃত্য। ইউরোপের অর্থনীতিতে বিজ্ঞাপনের বাজারে ফ্ল্যাশ ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ‘হারপারস’ ২০০৩ সালে সর্বপ্রথম ম্যানহাটনে ফ্ল্যাশ মোব আয়োজন করে। এবং এর প্রবর্তক বলা হয় ম্যাগাজিনটির সম্পাদক বিল ওয়াসিককে।
সচরাচর দৃষ্টি আকর্ষণ কিংবা আনন্দদানের জন্য নৃত্যশিল্পীরা হঠাৎ রাস্তার উপর জড়ো হয়ে পরিবেশন করে। পরিবেশনার মধ্যে থাকে নাচ-গান, মূকাভিনয় ইত্যাদি। বিল ওয়াসিকের প্রবর্তিত ফ্ল্যাশ মোব ‘স্মার্ট মোব’ নামেও পরিচিত।
২০০৪ সালের ৮ জুলাই অক্সফোর্ড অভিধান তাদের ১১তম সম্পাদনায় ফ্ল্যাশ মোব শব্দটি যুক্ত করে।
