জাননাতুল শূভ্রা মণিঃআমার আব্বা মুক্তিযোদ্ধা যে ছিলেন,তা খুজে বের করতে আমার একজন শ্রদ্ধেয় বড় ভাই আমাকে এ ব্যাপারে সব টুকু সাহায্য করেছেন।সবটুকু অবদান একমাত্র তাঁর।
তিনি প্রথম বইটি পড়েন বজলুল মজিদ খসরুর লেখা রক্তাক্ত একাত্তর। বইটির (৪৪)(১২২)পৃষ্ঠায়য় আমার আববার কথা লিখেছেন তিনি।
আমার আববার কোনো ডকুমেন্ট পাই কিনা এর জন্য আমি অসংখ্য বই পড়া শেষ করেছি মুক্তিযুদ্ধের উপরে।
..
উনার সাহায্যেই আমি পরবর্তীতে
“মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক বজলুল মজিদ খসরুর” সাথে ফোনে আলাপ করি এবং এক পর্যায়ে দেখা করি।
..
আমি যতটুকু আশা করেছিলাম,তার থেকে ৫০ ভাগ বেশি আন্তরিকতা উনার কাছ থেকে পেয়েছি।কিছু কিছু ভালো মানুষদের জন্য সমাজ যে বদলাতে পারে,উনি তারই প্রমান।
…
উনি শত ব্যস্ততার মাঝেও আমাকে অনেক সময় দিয়েছেন।
আমার আববার সহযোদ্ধার সাথেও দেখা হলো,কথা হলো।
প্রত্যেকেই এতো বেশি আন্তরিক, মনে হলো মুক্তিযোদ্ধা বলতে এদেরকেই বোঝায়।
রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গনির মেয়ে পরিচয় পেয়ে আমাকে তাদের বুকে নিয়েছেন,এর থেকে বড় পাওয়া আমার জন্য আর কি হতে পারে!(চলবে)…
