179
নিউজ ডেস্ক: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বৃহস্পতিবার উদ্ধার করা হয়েছে। সিলেট নগরীর আম্বরখানা পয়েন্টের ফলের বাজার সংলগ্ন এই মূল্যবান ভুমি দীর্ঘদিন থেকে বেদখল ছিল। বৃহস্পতিবার বেলা ৩ টায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: শরীফুজ্জামান এই সম্পত্তি উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করেন। অভিযানের শুরু থেকে শেষপর্যন্ত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এসময় উপস্থিত ছিলেন।
এসময় সিটি কর্পোরেশনের সম্মানিত কাউন্সিলরবৃন্দ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসন উপস্থিত ছিলেন।
উলেৱখ্য, দীর্ঘ কয়েক বছর থেকে একটি মহল সিটি কর্পোরেশনের আম্বরখানা পয়েন্টের ৮ ডেসিমেল ৯ পয়েন্ট ভূমি দখল করে সেখানে দোকান-কোঠা নির্মাণ করেছিল। এ প্রেক্ষিতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় বেশ কয়েকটি দোকান, অবৈধ স্থাপনা, সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলে সিসিকের কর্মীরা। একপর্যায়ে অবৈধ দখলদাররাও নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নেয় তাদের মালামাল।
এ ব্যাপারে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে নগরীর আম্বরখানা পয়েন্টের এই মূল্যবান জমি অবৈধভাবে দখলদাররা ভোগ করছিল। এই জমি কাজে লাগিয়ে আয়কৃত অর্থ নগর উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। তিনি বলেন, সিসিকের যতো জায়গা অবৈধ দখলে রয়েছে সে সব কোটি কোটি টাকার ভূমি পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করে কর্পোরেশনের নিজস্ব আয়ের পথ প্রসারিত করা হবে।
অভিযানকালে সিটি কাউন্সিলরদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো: ইলিয়াছুর রহমান, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সিকন্দর আলী, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছয়ফুল আমিন বাকের, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেলওয়ার হোসেন সজিব, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুর রকিব তুহিন।
উলেৱখ্য, দীর্ঘ কয়েক বছর থেকে একটি মহল সিটি কর্পোরেশনের আম্বরখানা পয়েন্টের ৮ ডেসিমেল ৯ পয়েন্ট ভূমি দখল করে সেখানে দোকান-কোঠা নির্মাণ করেছিল। এ প্রেক্ষিতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় বেশ কয়েকটি দোকান, অবৈধ স্থাপনা, সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলে সিসিকের কর্মীরা। একপর্যায়ে অবৈধ দখলদাররাও নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নেয় তাদের মালামাল।
এ ব্যাপারে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে নগরীর আম্বরখানা পয়েন্টের এই মূল্যবান জমি অবৈধভাবে দখলদাররা ভোগ করছিল। এই জমি কাজে লাগিয়ে আয়কৃত অর্থ নগর উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। তিনি বলেন, সিসিকের যতো জায়গা অবৈধ দখলে রয়েছে সে সব কোটি কোটি টাকার ভূমি পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করে কর্পোরেশনের নিজস্ব আয়ের পথ প্রসারিত করা হবে।
অভিযানকালে সিটি কাউন্সিলরদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো: ইলিয়াছুর রহমান, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সিকন্দর আলী, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছয়ফুল আমিন বাকের, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেলওয়ার হোসেন সজিব, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুর রকিব তুহিন।
