শনিবার বাদ যোহর দরগাহ মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে দরগাহ তাকে দাফন করা হয়। এর আগে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার কফিন সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদে নেওয়া হয়। সেখানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ কেমুসাসের কর্মকর্তাবৃন্দ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
নামাজে জানাজায় সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ছাড়াও সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, ভাষা সৈনিক অধ্যক্ষ মাসউদ খান, কেমুসাস সভাপতি হারুনুজ্জামান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ মানিক, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুকতাবিস উন নূর ও ইকবাল সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার বিপুল সংখ্যক লোক অংশ নেন। দাফনের পর মোনাজাত পরিচালনা করেন মরহুম মোস্তফা কামালের বড় জামাতা সাবেক এমপি এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী।
শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে নগরীর উপশহরস্থ (বাসা নং-৫১, রোড নং-২, ব্লক-এফ) নিজ বাসভবনে সৈয়দ মোস্তফা কামাল ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ কন্যা ও দুই পুত্রসহ অনেক গুণগ্রাহী ও আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। মোস্তফা কামাল দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তাকে গত কয়েক মাস ধরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
সৈয়দ মোস্তফা লেখালেখির পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। লেখক-গবেষক সৈয়দ মোস্তফা কামাল ১৯৪৩ সালের ২৫ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদরের মসাজানে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সৈয়দ মছদ্দর আলী ও মাতা সৈয়দা খোদেজা খাতুন। তিনি সিলেট ও তরপ বিজয়ী সৈয়দ নাসির উদ্দীন’র অধ:স্থন বংশধর। – See more at: http://sylhetview24.com/2013/dec/21/20.php#sthash.dcoKtIgX.dpuf
