সিলেটে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ও নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি জামায়াত নেতা মাওলানা লোকমান আহমদ। তিনি রোববার সোস্যাল মিডিয়ায় এ বিষয়ে করণীয় সম্পর্কে তাঁর পরামর্শ তুলে ধরেন।
তিনি সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার,জেলা প্রশাসক ও সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমি বিভাগীয় কমিশনার অফিসে একটি বৈঠকে সকল রাস্তার পাশের সরকারি জলজ জায়গা উদ্ধারের জন্য অনুরোধ করেছিলাম। তার প্রেক্ষিতে তামাবিল রোডে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে এবং চলছে।তিনি যে সকল রাস্তার নাম উল্লেখ করে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তা হলো-দক্ষিণ সুরমা রেলগেইট থেকে বঙ্গগবীর রোড হয়ে চন্ডিপুল থেকে রাস্তার দুপাশে সাদিপুর ব্রিজ পর্যন্ত,কদমতলী মুক্তিযোদ্ধা চত্ত্বর থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ রোড ইলাশপুর ডালার ব্রিজ পর্যন্ত,কদমতলী পয়েন্ট থেকে জকিগঞ্জ রোডের দু’পাশে বিয়ানীবাজার শেওলা সেতু পর্যন্ত,আম্বরখানা পয়েন্ট হইতে সুনামগঞ্জ রোডের লামাকাজি ব্রিজ পর্যন্ত,এয়ারপোর্ট রোডের দুপাশে সালুটিকর ব্রিজ পর্যন্ত,টুকের বাজার থেকে তেলিবাজার বাইপাস ও সিরামপুর শাহপরান বাইপাস এবং হুমায়ুন রশিদ চত্ত্বর থেকে চন্ডিপুল বাইপাস রাস্তা সমুহের দুপাশের জলজ জায়গা।
অন্যদিকে নগরীতে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা,এস এ রেকর্ড এর আলোকে সমস্ত ছড়া, খাল, গোপাট, বিল সমুহ উদ্ধারের জন্য ভুমি অফিসের মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করে ১৫ দিনে সময় দেয়া।
যে ব্যক্তি দখল করেছেন তিনি তা পরিস্কার করে দেয়া তা না হলে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে অফিসে তলব করা। বিল্ডিং কোড না মেনে যারা বিল্ডিং নির্মাণ করেছেন তাদেরকেও একই ভাবে আইনের আওতায় আনা।
এ সকল বিষয়ে প্রসাশনের সার্বিক সহযোগিতা তিনি কামনা করেন।তিনি সিলেটবাসীর কল্যাণে দেশ ও প্রবাসের সকল অনলাইন মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া সমুহের সাংবাদিকদেরও সহযোগিতা কামনা করছি। সেই সাথে সোস্যাল এক্টিভিস্টদের ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। তিনি বলেষ,এখন কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে, না হয় সিলেট বসবাসের উপযোগী থাকবে না। তিনি সিলেটের সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দ কে এবিষয়ে চিন্তা ও কাজ করতে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
