শিবির নেতাকে পায়ে গুলি-হাতুড়িপেটা করলো পুলিশ

by News Room

ডেস্ক রিপোর্ট:: আটকের পর বরাবরের মতো অস্বীকার। শেষ পর্যন্ত পায়ে গুলি, হাতুড়ি ও লোহা দিয়ে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছাত্রশিবির নেতাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।

পুলিশের এই বর্বরতার শিকার হয়েছেন রাবি ছাত্রশিবিরের ক্রীড়া সম্পাদক আফজাল হোসেন।

গত শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে এক আত্মীয়র বাসা থেকে ফেরার পথে রাজশাহীর কাজলা এলাকা থেকে আফজাল হোসেন এবং শিবিরকর্মী শহিদুজ্জমানকে মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার করে মতিহার থানা পুলিশ।

আটকের পর রবিবার রাত নাগাদ তাদের কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। এমনকি বরাবরের মতো পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টিও গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করেনি।

আটকের পর পঙ্গু করে দেয়ার পুলিশের নতুন বর্বরতার অংশ হিসেবে রবিবার রাতে আফজাল ও শহিদকে নিয়ে ধরমপুরে বাংলাদেশ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের মাঠে ‘অভিযানে’ যায় পুলিশ। সেখানে আফজালের পায়ে গুলি করা হয়। এর আগেই তাকে হাতুড়ি ও লোহ দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন দাবি করেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাত ১১টার দিকে শিবির নেতা আফজালকে গ্রেপ্তার করতে মতিহার থানার ধরমপুর এলাকায় তার বাসায় যায় পুলিশ।’

তার দাবি, এ সময় শিবিরকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় উপপরিদর্শক মাসুদ, কনস্টেবল রাকিব ও শাহিনুর আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে আফজালকে গুরুতর আহত অবস্থায় আটক করা হয়েছে। শহিদকেও ওই সময় আটক করা হয়।

ওসি জানান, পুলিশ সদস্যদের রাজশাহী পুলিশ লাইন হাসপাতালে এবং আফজালকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে, পুলিশের এমন বর্বরতার নিন্দা জানিয়ে ছাত্রশিবির সভাপতি আবদুল জাব্বার ও সেক্রেটারি আতিকুর রহমান হুশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, পুলিশ যদি আইনের লেবাসে সন্ত্রাসীদের মত হত্যা নির্যাতন অব্যাহত রাখলে ছাত্রসমাজের প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকবে না।

তারা বলন, আইন-আদালতের তোয়াক্কা না করে ছাত্রদের জীবন বিপন্ন করার অধিকার কাউকে দেয়া হয়নি। আইনের পোশাকে যারা সন্ত্রাসীদের মত আচরণ করে তারা আইনের রক্ষক হতে পারে না। //আরটিএনএন//

You may also like

Leave a Comment