এলাকাবাসী ও ইউপি চেয়ারম্যান সুত্রে জানা যায়- গত ১১ডিসেম্বর বুধবার রাত ৯টায় উপজেলা জৈন্তাপুর ইউনিয়নের কেন্দ্রী হাওর এলাকায় সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদের নির্বাচনী প্রচারনা ও সভার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় একটি বাড়ী থেকে সভা স্থলে বিদ্যুতের লাইন সংযোগ দেয়া হয়। বিদ্যুৎ লাইন নেওয়ার ফলে ঐ বাড়ীর সার্কিটের ফিউজ চলে যায়। এনিয়ে উভয় পক্ষ তর্ক-বির্তকে জড়িয়ে পড়ার এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
হামলা কারীরা হল- কেন্দ্রী হাওর গ্রামের মরতুজ আলীর ছেলে হোসেন আহমদ (২৪), শফিকুর রহমানের ছেলে শামিম আহমদ (২৬), জালাল উদ্দিনের ছেলে রুবেল মিয়া (২৪), ফখর উদ্দিনের ছেলে মুহিব মিয়া (২৭) এর নেতৃত্বে কেন্দ্রী হাওর গ্রামের মৃত মবারক আলীর ছেলে আনোয়ার আলী(৪৫)এর উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের হামলায় আহত হন আনোয়ার আলী(৪৫) ও তার স্ত্রী আমিতা বিবি(৪০)। এঘটনার সংবাদ পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম তাদেরকে উদ্ধার করে জৈন্তাপুর হাসপাতালে ভর্তি করে।
অপর দিকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় জৈন্তাপুর হাসপাতাল থেকে ভাই-ভাবীকে চিকিৎসাধীন রেখে বাড়ী ফেরার পথে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শামিম বাহিনী আবার চড়াও হয় কেন্দ্রী কাঠালবাড়ী এলাকায় মৃত মবারক আলীর অপর ছেলে সমির আলী (৬০) এর উপর এলোপাতারী হামলা চালায়। তাদের কবল থেকে রেহাই পায়নি সিএনজি চালকও। দুবারের সংঘর্ষে মহিলা সহ ৪জন আহত হয়েছেন।
এঘটনায় সংবাদ পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সমির আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমিতা বিবি (৪০) ও সমির আলীকে (৬০) প্রেরণ করেন।
এব্যাপরে অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ চৌধুরী জানান- আমার কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
