আমি আরও বলতে চাই


এনামুল হক : কি দিয়ে কোন জায়গা থেকে শুরু করবো ভাবতেই আমি তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি। আমি বরাবর একজন আবেগ প্রবন মানুষ। কোন আবেগঘন মুহুর্ত দেখলে আমি নিজেকে সংবরন করতে পারিনা। অনেক সময় আমি এমন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল।
গত ক’মাস হলো আমরা একটি অসুস্থ জনপদ আর মৃত্যু পুরিতে বসবাস করছি। রাত পোহালেই কোন না কোন পরিচিত জনের মৃত্যু সংবাদ আমাদের ব্যথিত করে তুলছে। নিজের অজান্তেই আমরা অশ্রু ঝরাচ্ছি।
গত দুই দিন থেকে করোনা ভ্যকসিন আবিষ্কারের খবর দিয়ে আনন্দে আপ্লুত ডক্টর আসিফ ইকবালের কান্নার ভিডিওটি যতবার দেখেছি ততবারই চোখের কোনের জল জমাট বেধেছে আমার। তবে এটা কষ্টের নয় এটি নি:সন্দেহে আনন্দ অশ্রু।
শনিবার ফজরের নামাজ পর মোবাইল হাতে নিতেই আমেরিকার ভার্জেনিয়া থেকে বন্ধু শিমুলের ফোন। আমাদের বন্ধু মামুনের আব্বার ইন্তেকাল এর খবর দিতে তার ফোন। একটু পর নিউইয়র্ক থেকে বন্ধু শিব্বিরের ফোন। বন্ধু মামুনের আব্বার খবর দিতেই ফোনে করে। জানালো শিব্বিরের আব্বা আম্মা আমেরিকা থেকে দেশে এসেছেন। চৌদ্দ দিন পর ভার্থখলার বাসায় গিয়ে যেন দেখা করে আসি।
একের পর এক মৃত্যু সংবাদ আমার ঘুম কেড়ে নিয়েছে। বিছানা থেকে উঠে আরেক বন্ধুর সাথে কথা বলে নিজেকে কিছুটা হালকা করার চেষ্টা করলাম।
এইতো মাত্র ক’দিন হলো সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক জনপ্রিয় মেয়র বদর উদ্দিন কামরান ইন্তেকাল করলেন। তাঁর স্মৃতিচারণ মূলক লেখায় আমি একটি লাইনে লিখেছিলাম সিলেটের সার্বজনীন সম্প্রীতির রাজনীতির ধারক হিসেবে যে কয়েকজন মানুষ ছিলেন তারা আজ অধিকাংশই বেচে নেই। যেমন আনম শফিকুল হক, ইফতেখার হোসেন শামীম, বদর উদ্দিন কামরান চলে গেছেন না ফেরার দেশে । এরমধ্যে কালের স্বাক্ষী হয়ে বেচে ছিলেন বিএনপির এম এ হক আর জামায়াতের ডাক্তার শফিকুর রহমান।
কে জানতো মাত্র কয়েকদিন পরেই সিলেটবাসীকে অভিভাবক শূন্য করে এত তাড়াতাড়ি চির বিদায় নিবেন এম এ হক? এই সম সাময়িক আর একজনই রয়ে গেলেন তিনি ডাক্তার শফিক।
আজ মরহুম এম এ হক ভাইকে নিয়ে কিছু লিখতে গিয়ে বার বার হাত আটকে যাচ্ছে। বারবার চোখে ভেসে আসছে তাঁর সাদা ধবধবে পায়জামা পাঞ্জাবি পরিহিত ফর্সা মায়াবি বড় চেহারাটা।
বারবার কানে ভেসে আসছে কোর্ট পয়েন্ট আর রেজিষ্ট্রি মাঠে তার চিরচেনা বক্তব্যের ডায়লগ “আমি আরও বলতে চাই” আমি আরও বলতে চাই…..। কিন্তু আর কোনদিন বলতে পারবেন না সিলেটের মানুষের কাছে হক সাব নামেই পরিচিত এম এ হক। তার বলিষ্ঠ কন্ঠ আর কখনোই শুনা যাবেনা সিলেটের রাজপথে।
সিলেটের মানুষের কাছে এক নামেই পরিচিত ছিলেন “হক সাব”। তার নামের এতটা ওজন তা মাপার মিটার আমার নেই। তিনি অনেকবার এমপি আর মেয়র নির্বাচন করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পারেননি। সে অনেক বাস্তবিক আর রাজনৈতিক গ্যাড়াকলের বিষয়। কিন্তু জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হতে না পরলেও তাঁর প্রতি ছিল মানুষের অগাধ ভালবাসা আর শ্রদ্ধা।
দীর্ঘ সময় বিএনপির জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর আচরন, চলাফেরা, নেতৃত্বের গুনাবলী, দানশীল মানসিকতা, দল ও আদর্শের প্রতি কমিটমেন্ট তাকে নেতৃত্বের উচু আসনে সমাসীন করেছিল।
১৯৯১ সালে তিনি বিশ্বনাথ বালাগঞ্জ আসন থেকে ধনের শীষ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। আক্ষরিক অর্থে বিশ্বনাথ বালগঞ্জ এলাকায় জাতীয়তাবাদী শক্তির ভিত রচনা করেন এম এ হক।
পরবর্তীতে ২০০৩ সালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনে তিনি বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী হিসেবে মাছ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনকালীন সময়ে তার দল ও জোট ছিল ক্ষমতায়, এম সাইফুর রহমান ছিলেন ক্ষমতাধর অর্থমন্ত্রী। মাছ মার্কার পক্ষেও ছিল গনজোয়ার। কিন্তু কোথায় যেন একটা অদৃশ্য রসির টান ছিল তাকে আটকে দেওয়ার। তারই প্রতিদ্বন্দ্বি মরহুম বদর উদ্দিন কামরানের জনপ্রিয়তাও তখন আকাশ চুম্বি।
তবুও বিএনপির অনেক নেতাকর্মীদের ধারনা ছিল দুটি। একটি দলের প্রভাবশালী নেতা সাবেক পৌর চেয়ারম্যান আফম কামাল বিকল্প প্রার্থী হওয়া। আরেকটি কেউ কেউ মনে করেন ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনে কুলাউড়ায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এম শাহীনকে বসাতে না পারায় সিটি নির্বাচনে এম সাইফুর রহমানের উপরে প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছিল বলে বিএনপির অনেকেই এখনো মনে করেন।
তবে বিএনপির নেতাকর্মীদের এই ধারনা মিথ্যা প্রমানীত হয়েছে ২০০৮ সালের সিটি নির্বাচনে।
সিলেট বিএনপির রাজনীতিতে সাইফুর রহমান আর ইলিয়াস আলীর দাপটে অনেকের ছন্দ পতন ঘটে । কিন্তু এম এ হক সাইফুর রহমান সাহেবের ইন্তেকালর পর নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখেন।
এক পর্যায়ে এম এ হক অনেকটা ব্যাকফুটে চলে যান। যেন ছিলেন ইচ্ছা করেই পর্দার আড়লে। হয় তো এই রাজনীতির প্রতি অনিহা বা ‘গোস্বা’ করেছিলেন কোন কারনে।
কিন্তু ওয়ান ইলেভেন এর কঠিন পথ চলায় জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ জন হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার টেলিফোন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর এমএ হক ঘরে বসে থাকতে পারেননি।
২০০৮ সালের ২৯ শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিএনপির বিপর্যয়ের পর আবারও জাতীয়তাবাদী পতাকার ঝান্ডা হাতে তুলে নেন। বয়সের ভারে নুয়ে গেলেও রাজপথে নেমে এসে চরম দু:সময়ে মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব তাঁর হাতে তুলে দেন বেগম জিয়া।
আমি তখন দৈনিক জালালাবাদে কর্মরত। কঠিন আন্দোলন মুখর দিন গুলোতে আমাদের এসাইনমেন্ট থাকতো। পুলিশের সাথে আমরা সংবাদকর্মীরাও ছুটে যেতাম অন দ্যা স্পট। লাগাতার হরতাল অবরোধ চলাকালীন সময়ে সিলেটের রাজপথে এম এ হকের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়। নেতাকর্মীরা ধিরে ধিরে জড়ো হচ্ছেন। মধুবনের সামনে না হয় শহীদ মিনারে না হয় করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনে। আলী আকবর রাজনের মোটর সাইকেলের পেছনে বসে উপস্থিত হলেন সকলের হক ভাই। তাকে দেখে কিছু সময় হলো স্লোগান। প্রায় দুপুরে সিঙ্গাড়া খাওয়া হতো আমাদের হাতেও তুলে দিতেন।
করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনে নেতাকর্মীরা স্লোগান দিচ্ছেন মাঝখানে চেয়ারে বসে আছন তিনি। পুলিশ এগিয়ে আসছে উত্তেজনা বাড়ছে। পুলিশের সাথে কথা বলতে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। একদিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বললেন “ভাই আমার নেতাকর্মীদের সেইভ করার দায়িত্ব আমার”।
দিনে দেখা হতো রাতে পত্রিকার ল্যান্ড ফোন দিয়ে ফোন দিতে হতো প্রায় সময়। ফোন রিসিভ করেই সাবলিল রাজনৈতিক পরিভাষায় বক্তব্য দিতেন হক ভাই। তার শব্দ চয়নে কখনোই অসংলগ্ন অরাজনৈতিক বাক্য ছিলনা।
বিগত সংসদ নির্বাচনের আগে আমি তার বাসায় গিয়েছিলাম। মাগরিবের আগে বাসায় পৌছি। একটুপর তিনি আসলেন। ওহহহ এনাম একাটা ফোনও দেওনা তোমার খবর কি?
নূর সাহেব কেমন আছেন, তাপাদার আছেনি, মানিকের অবস্থা কি? এভাবেই সকলের কথা জানতে চাইলেন তিনি।
বললেন রশিদ তোমার কথা সেদিন আলাপ করলো। বালাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহায়ক আমার খুব ঘনিষ্ঠজন রশিদ ভাই।
মাগরিবের আজান হয়ে গেলে তিনি বললেন আসো নামাজ পড়ে নেই। আমার জানা ছিলনা হক ভাইয়ের বাসার নিচ তলায় আলাদা মসজিদের মতো তৈরি করেছেন। সেখানে তার রাখা নিজস্ব ইমাম সাহেব ও আছেন। আমরা মাগরিবের নামাজ জামায়াতের সাথে আদায় করলাম। হক ভাইয়ের দীর্ঘ নামাজ আদায় আমাকে ভাবালো।
এরপর ড্রইং রুমে বসে কথা বলতে লাগলাম। অনেক ধরনের নাস্তা সামনে আসলো। হক ভাই নিজে আমার হাতে তুলে দিলেন।
প্রায় দুই ঘন্টা রাজনৈতিক ব্যক্তিগত অনেক জানা অজানা প্রকাশিত অপ্রকাশিত কথা বললেন।
এক পর্যায়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা জিজ্ঞাসা করতেই শিশুদের মতো ফুপিয়ে ফুপিয়ে কেদেঁ উঠেন মরহুম এম এ হক। বললেন ১৯৭৮ সাল। বালাগঞ্জ সুলতানপুর জালালপুর হয়ে পায়ে হেটে শহীদ জিয়াকে নিয়ে সিলেটে আসেন। সেই জাগদল থেকে শুরু….। বললেন আমি শহীদ জিয়ার সান্নিধ্য পেয়েছি তার সাথে রাজনীতি করেছি এটি আমার জীবনের বড় পাওয়া।
আক্ষেপের সুরে বললেন ১৯৭৯ সাল সংসদ নির্বাচন। দলীয় কার্যালয় তখন ধানমন্ডি মেয়র হাসনাত সাহেবের বাসায়। মহাসচিব সালাম তালুকদার। প্রেসিডেন্ট জিয়া আমাকে তলব করলেন। গেলাম, যাওয়ার পর প্রেসিডেন্ট জিয়া বলেন, “হক টেইক ইওর নমিনেশ, আই হোপ ইউ উইল বি রিটার্ন পার্লামেন্ট”। কিন্তু বাস্তবিক কিছু কারনে তখন তিনি নমিনেশন নেননি। তার মধ্যে অন্যতম একটি কারন ছিল তাঁর বিপরীতে তখন প্রার্থী হওয়র কথা ছিল জেনারেল ওসমানী। তিনি চাননি জেনারেল ওসমানীর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিত
া করতে। তিনি জানালেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া তাকে বললেন মনে রেখো হক তোমাকে কেউ কোন দিন ডেকে এনে এমপি বানাবে না।
২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে সিলেট ৩ আসনে তিনি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম মনোনয়ন এর ব্যপারে কতটুকু লবিং বা আশাবাদী। মৃদু হেসে বললেন হক জীবনে কারো কাছে কোন কিছুর জন্য আর তদবির করেনি। দল দিলেও ভাল না দিলেও ভাল। কিন্তু দল তাকে মনোনয়ন দেয়নি।
অফ দ্যা রেকর্ড তিনি আমাকে আরও অনেক কথাই বলেছিলেন। কিছু কথা অপ্রকাশিত থেকেই যাক।
সিলেটের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে এম এ হক ছিলেন অগ্র পথিক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, বিভাগ আন্দোলন, শাবি হল ও ভবনের নাম করন বিরোধী আন্দোলন সহ সকল আন্দোলনে এম এ হক ছিলেন নেতৃত্বের আসনে। তিনি ছিলেন সকল গনতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা।
কোর্ট পয়েন্ট কিংবা রেজিষ্ট্রি মাঠ বহুবার তাঁর রক্তে রঞ্জিত হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ লেগেছিল একবার রেজিষ্ট্রি মাঠ থেকে পুলিশ এম এ হক ও সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিমকে বড় রশি দিয়ে কোমরে বেধে টেনে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। আরেকবার কোর্ট পয়েন্টে বেধড়ক লাঠি চার্জ করলে সবাই দৌড়ে পালিয়ে গেলেও বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা এম এ হক ঠায় দাড়িয়ে রইলেন। বেরসিক নিষ্ঠুর পুলিশ তার মাথায় আঘাত করে বসে। ফোটা ফোটা রক্তে লাল হয়ে যায় হক ভাইয়ের সাদা পাঞ্জাবী। আহহহহহ সেদিন প্রত্যক্ষদর্শীদের হৃদয়ে আঘাত করেছিল এই দৃশ্য গুলো।
অতি উৎসাহি কিছু পুলিশের আচরনে মাঝেমধ্যে এভাবেই ম্লান হয়েছে সিলেটের সম্প্রীতির রাজনীতির ইতিহাস।
একটি অপ্রকাশিত সত্য হলো এম এ হক একজন দানশীল ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি নিরবে নিভৃতে আকাতরে দু হাত উজাড় করে দান করতেন। আল্লাহ তাকে অঢেল সম্পত্তি দিয়েছেন। তিনি এর একটি অংশ গরীব অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতেন।
সম্পাদক মুকতাবিস উন নূর যথার্থই লিখেছেন এম এ হক দীর্ঘ পচিশ বছর যাবত হারামাইন শরীফে এতেকাফ করেছেন। তারা অনেক সময় একসঙ্গে এক হোটেলে থেকে উমরা পালন করেছেন।
সিলেট বিএনপির নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন মরহুম এম এ হক। অসংখ্য নেতা কর্মী নিজ হাতে গড়েছেন। রাজনীতির অ আ ক খ শিখিয়েছেন। নেতাকর্মীদের কাছে এক বটবৃক্ষ ছিলেন তিনি।
একজন শিক্ষকের জীবনে অসংখ্য ছাত্রদের ভিড়ে কিছু কিছু ছাত্র কিভাবে যেন প্রিয় হয়ে উঠে। তেমনি সিলেট বিএনপির সকল নেতাকর্মীদের তিনি অভিভাবক হলেও হক সাহেবের কিছু আস্থাভাজন ছিলেন। এরমধ্যে বদরুজ্জামান সেলিম, কয়েস লোদী, মিজানুর রহমান চৌধুরী, ফয়সাল আহমদ চৌধুরী, জিয়াউল গনি আরেফিন জিল্লুর, ওমর আশরাফ ইমন, মাহবুব কাদির শাহী, হুমায়ুন আহমদ মাসুক, লল্লিক চৌধুরী,
সাফেক মাহবুব, শুয়েব চৌধুরী, মাহফুজুল করিম জেহিন সহ অনেকেই। আজ সকলেই অভিভাবক হারা। কি করে এই ক্ষতি পুষিয়ে নিবে সিলেট বিএনপি। নেতা তো অনেকেই হয় মানুষের হৃদয়ে কতজন ঠাই করে নিতে পারে?
হক সাব’ এর ইন্তেকাল সিলেটবাসীর অপূরনীয় ক্ষতি। বিএনপি হারালো তার প্রকৃত অভিভাবক। আর সিলেটবাসী হারালো একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় মুরব্বি আপাদমস্তক একজন ভাল মানুষ।
ভাল থাকুন সিলেটবাসীর প্রিয় নেতা “হক সাব”। আল্লাহ্ তার ভাল কাজ গুলোকে কবুল করুন মন্দ কাজ গুলোকে মাফ করে জান্নাতবাসী করে নিন।
লেখক- গণমাধ্যমকর্মী

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*