সিলেটে মোবাইল কোর্টের অভিযানে যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার

by News Room

 সিলেটের খবর ডেস্ক: সিলেটে সোমবার দুই ঘন্টা অভিযান চালিয়ে লাইসেন্সবিহীন ২১১ কার্টুন যৌন উত্তেজক সিরাপ ও এনার্জি ড্রিংকস উদ্ধার করেছে মোবাইল কোর্ট। সিলেট কালেক্টরেট এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রহমানের নেতৃত্বে বিএসটিআই (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউট) ও র‌্যাব-৯ এর সদস্যরা এ অভিযানে অংশ নেন।

বিএসটিআই’র ফিল্ড অফিসার প্রকৌশলী শশী কান্ত দাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট সোমবার বিকাল ৪টা থেকে লালদিঘী নতুন হকার্স মার্কেটে মেসার্স গৌরি এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালায়। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অভিযান চলে। এ সময় সেখান থেকে ২১১ কার্টুন যৌন উত্তেজক সিরাপ ও এনার্জি ড্রিংকস উদ্ধার করা হয়।  প্রতিটি কার্টুনে ছিল ২৪ বোতল করে সিরাপ। এ সময় সেখান থেকে উদ্ধার করা বিপুল পরিমাণ লেভেল পুড়ানো হয়।

উদ্ধার করা সিরাপের মধ্যে রয়েছে- হট স্পিøং প্লাস্ট, মন পাওয়ার আপ, ডাবল হর্স, ডাবল হর্স পাওয়ার আপ, ম্যান পাওয়ার ও জিনসিম প্লাস। যার বাজার মূল্য আড়াই লাখ টাকা বলে জানান শশী কান্ত। উদ্ধার করা মালামাল ধ্বংস করার জন্য র‌্যাব নিয়ে গেছে বলে জানান তিনি। লাইসেন্স ছাড়া সিরাপ বিক্রি ও বাজারজাত করার দায়ে এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান তিনি। এ সময় দোকান মালিক কালীপদ দাস সেখানে ছিলেন না বলে জানান তিনি।

অভিযানে অন্যদের মধ্যে র‌্যাবের এ এস পি ফজলুর রহমান এবং বিএসটিআই’র সহকারী পরিচালক আবু সাঈদ অংশ নেন।

 

পুলিশের এক সদস্যের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরতলীর টুকেরবাজার ইউনিয়নের নোয়া খুররমখলা গ্রামের আবুল কাশেম এর পুত্র মিজবাউল আজম সোমবার সিলেট প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তার বোন ফাতেমাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার বড় বোন ফাতেমা বেগম একজন পুলিশ সদস্যের লালসার শিকার হয়ে পুলিশ প্রশাসনে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। সমাজে অসহায় নির্যাতিত একজন মহিলা হিসেবে মানসিক যন্ত্রণায় ভোগছেন। আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত এই পুলিশ সদস্য তার প্রভাব খাটিয়ে আমাদেরকে প্রতিনিয়তই নানাভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। আমার বোনসহ পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। যে কোনো সময় তিনি তার বড় বোনের ক্ষতিসাধনের আশঙ্কা করেছেন।
মিজবাউল বলেন, আমার বোন একজন স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা হিসেবে তার একমাত্র মেয়ে ফালগুনী খান মিমকে নিয়ে আমাদের সাথে বসবাস করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানার সোনাতলা চাতলীবন্দ এলাকার বাসিন্দা এবং অষ্টম আর্মড ব্যাটালিয়ান সিলেট এর কনস্টেবল আব্দুর রহমান (কং নং ৮৮৪৯) এর সাথে আমার বোনের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময়ে আলাপ-আলোচনা হয় এবং একপর্যায়ে আব্দুর রহমান সব জেনে শুনে আমার বোনকে বিবাহের প্রস্তাব দেয় ও তার কন্যা মিমকে তার পিতার নিকট পাঠিয়ে দিতে বলে। আমার বোন তার কথামতো মেয়েকে তার পিতার নিকট পাঠিয়ে দেয়। সে কিছুদিন পর বিয়ে করবে বলে জানায়। এই সুবাদে বিভিন্ন সময়ে আমাদের অজান্তে আমার বোনকে নিয়ে আব্দুর রহমান বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায় ও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। আমার বোন এক পর্যায়ে অন্তস্বত্তা হয়ে পড়ে। তখন আমরা পরিবার থেকে বিয়ের কথা বললে আব্দুর রহমান আজ কাল করে কৌশলে সময় ক্ষেপন করতে থাকে।
তিনি বলেন, অবশেষে তার ছলচাতুরী বুঝতে পেরে আমার বোন গত ১৭ জুন তার কর্মস্থল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্মারক এভিপি ৮ রেকর্ড ৩৩৪৫ মূলে আমার বোনের জবানবন্দি গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ। আর্মড পুলিশ কর্তৃপক্ষ সুবিচারের আশ্বাস প্রদান করলেও অদ্যাবধি কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উল্টো আব্দুর রহমান আমার বোন ও আমাদেরকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। তার জীবন থেকে সরে না দাড়ালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বলেছে ‘আমি পুলিশের লোক থানায় গিয়েও কোনো ফল হবে না। গত পহেলা মে রাতে রিকাবীবাজার এলাকায় আমার বোনকে একা পেয়ে আসামি তার দুই সহকর্মীকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও তার পথ থেকে সরে দাড়ানোর হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে আমার বোনের কাপড় ধরে টানাহেচড়া ও ধস্তাধস্তি করলে উপস্থিত লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশকে খবর দেন। এসময় টহলরত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমার বোনসহ তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়। থানায় আব্দুর রহমান আমার বোনকে বিবাহ করবে বলে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়। কিন্তু সে তার কথা রাখেনি। উল্টো নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।
তিনি আরো বলেন, আমার বোন লিখিত অভিযোগ নিয়ে কোতোয়ালী থানায় গেলে পুলিশ অভিযোগটি গ্রহণ করেনি। পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেয়া হবে না বলে থানার ডিউটি অফিসার শাসিয়ে আমার বোনকে থানা থেকে বের করে দেন। এমতাবস্থায় নিরূপায় হয়ে কোনো উপয়ান্তর না পেয়ে আমরা আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। গত ২৫/০৮/২০১৪ ইং তারিখে সিলেটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে আমার বোন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন। – See more at: http://www.dainiksylhet.com/details/newsdetails/1837#.VASXhKPmh1s

 

পুলিশের এক সদস্যের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরতলীর টুকেরবাজার ইউনিয়নের নোয়া খুররমখলা গ্রামের আবুল কাশেম এর পুত্র মিজবাউল আজম সোমবার সিলেট প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তার বোন ফাতেমাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার বড় বোন ফাতেমা বেগম একজন পুলিশ সদস্যের লালসার শিকার হয়ে পুলিশ প্রশাসনে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। সমাজে অসহায় নির্যাতিত একজন মহিলা হিসেবে মানসিক যন্ত্রণায় ভোগছেন। আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত এই পুলিশ সদস্য তার প্রভাব খাটিয়ে আমাদেরকে প্রতিনিয়তই নানাভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। আমার বোনসহ পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। যে কোনো সময় তিনি তার বড় বোনের ক্ষতিসাধনের আশঙ্কা করেছেন।
মিজবাউল বলেন, আমার বোন একজন স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা হিসেবে তার একমাত্র মেয়ে ফালগুনী খান মিমকে নিয়ে আমাদের সাথে বসবাস করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানার সোনাতলা চাতলীবন্দ এলাকার বাসিন্দা এবং অষ্টম আর্মড ব্যাটালিয়ান সিলেট এর কনস্টেবল আব্দুর রহমান (কং নং ৮৮৪৯) এর সাথে আমার বোনের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময়ে আলাপ-আলোচনা হয় এবং একপর্যায়ে আব্দুর রহমান সব জেনে শুনে আমার বোনকে বিবাহের প্রস্তাব দেয় ও তার কন্যা মিমকে তার পিতার নিকট পাঠিয়ে দিতে বলে। আমার বোন তার কথামতো মেয়েকে তার পিতার নিকট পাঠিয়ে দেয়। সে কিছুদিন পর বিয়ে করবে বলে জানায়। এই সুবাদে বিভিন্ন সময়ে আমাদের অজান্তে আমার বোনকে নিয়ে আব্দুর রহমান বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায় ও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। আমার বোন এক পর্যায়ে অন্তস্বত্তা হয়ে পড়ে। তখন আমরা পরিবার থেকে বিয়ের কথা বললে আব্দুর রহমান আজ কাল করে কৌশলে সময় ক্ষেপন করতে থাকে।
তিনি বলেন, অবশেষে তার ছলচাতুরী বুঝতে পেরে আমার বোন গত ১৭ জুন তার কর্মস্থল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্মারক এভিপি ৮ রেকর্ড ৩৩৪৫ মূলে আমার বোনের জবানবন্দি গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ। আর্মড পুলিশ কর্তৃপক্ষ সুবিচারের আশ্বাস প্রদান করলেও অদ্যাবধি কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উল্টো আব্দুর রহমান আমার বোন ও আমাদেরকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। তার জীবন থেকে সরে না দাড়ালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বলেছে ‘আমি পুলিশের লোক থানায় গিয়েও কোনো ফল হবে না। গত পহেলা মে রাতে রিকাবীবাজার এলাকায় আমার বোনকে একা পেয়ে আসামি তার দুই সহকর্মীকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও তার পথ থেকে সরে দাড়ানোর হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে আমার বোনের কাপড় ধরে টানাহেচড়া ও ধস্তাধস্তি করলে উপস্থিত লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশকে খবর দেন। এসময় টহলরত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমার বোনসহ তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়। থানায় আব্দুর রহমান আমার বোনকে বিবাহ করবে বলে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়। কিন্তু সে তার কথা রাখেনি। উল্টো নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।
তিনি আরো বলেন, আমার বোন লিখিত অভিযোগ নিয়ে কোতোয়ালী থানায় গেলে পুলিশ অভিযোগটি গ্রহণ করেনি। পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেয়া হবে না বলে থানার ডিউটি অফিসার শাসিয়ে আমার বোনকে থানা থেকে বের করে দেন। এমতাবস্থায় নিরূপায় হয়ে কোনো উপয়ান্তর না পেয়ে আমরা আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। গত ২৫/০৮/২০১৪ ইং তারিখে সিলেটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে আমার বোন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন। – See more at: http://www.dainiksylhet.com/details/newsdetails/1837#.VASXhKPmh1s
পুলিশের এক সদস্যের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরতলীর টুকেরবাজার ইউনিয়নের নোয়া খুররমখলা গ্রামের আবুল কাশেম এর পুত্র মিজবাউল আজম সোমবার সিলেট প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তার বোন ফাতেমাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার বড় বোন ফাতেমা বেগম একজন পুলিশ সদস্যের লালসার শিকার হয়ে পুলিশ প্রশাসনে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। সমাজে অসহায় নির্যাতিত একজন মহিলা হিসেবে মানসিক যন্ত্রণায় ভোগছেন। আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত এই পুলিশ সদস্য তার প্রভাব খাটিয়ে আমাদেরকে প্রতিনিয়তই নানাভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। আমার বোনসহ পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। যে কোনো সময় তিনি তার বড় বোনের ক্ষতিসাধনের আশঙ্কা করেছেন।
মিজবাউল বলেন, আমার বোন একজন স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা হিসেবে তার একমাত্র মেয়ে ফালগুনী খান মিমকে নিয়ে আমাদের সাথে বসবাস করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানার সোনাতলা চাতলীবন্দ এলাকার বাসিন্দা এবং অষ্টম আর্মড ব্যাটালিয়ান সিলেট এর কনস্টেবল আব্দুর রহমান (কং নং ৮৮৪৯) এর সাথে আমার বোনের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময়ে আলাপ-আলোচনা হয় এবং একপর্যায়ে আব্দুর রহমান সব জেনে শুনে আমার বোনকে বিবাহের প্রস্তাব দেয় ও তার কন্যা মিমকে তার পিতার নিকট পাঠিয়ে দিতে বলে। আমার বোন তার কথামতো মেয়েকে তার পিতার নিকট পাঠিয়ে দেয়। সে কিছুদিন পর বিয়ে করবে বলে জানায়। এই সুবাদে বিভিন্ন সময়ে আমাদের অজান্তে আমার বোনকে নিয়ে আব্দুর রহমান বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায় ও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। আমার বোন এক পর্যায়ে অন্তস্বত্তা হয়ে পড়ে। তখন আমরা পরিবার থেকে বিয়ের কথা বললে আব্দুর রহমান আজ কাল করে কৌশলে সময় ক্ষেপন করতে থাকে।
তিনি বলেন, অবশেষে তার ছলচাতুরী বুঝতে পেরে আমার বোন গত ১৭ জুন তার কর্মস্থল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্মারক এভিপি ৮ রেকর্ড ৩৩৪৫ মূলে আমার বোনের জবানবন্দি গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ। আর্মড পুলিশ কর্তৃপক্ষ সুবিচারের আশ্বাস প্রদান করলেও অদ্যাবধি কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উল্টো আব্দুর রহমান আমার বোন ও আমাদেরকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। তার জীবন থেকে সরে না দাড়ালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বলেছে ‘আমি পুলিশের লোক থানায় গিয়েও কোনো ফল হবে না। গত পহেলা মে রাতে রিকাবীবাজার এলাকায় আমার বোনকে একা পেয়ে আসামি তার দুই সহকর্মীকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও তার পথ থেকে সরে দাড়ানোর হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে আমার বোনের কাপড় ধরে টানাহেচড়া ও ধস্তাধস্তি করলে উপস্থিত লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশকে খবর দেন। এসময় টহলরত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমার বোনসহ তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়। থানায় আব্দুর রহমান আমার বোনকে বিবাহ করবে বলে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়। কিন্তু সে তার কথা রাখেনি। উল্টো নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।
তিনি আরো বলেন, আমার বোন লিখিত অভিযোগ নিয়ে কোতোয়ালী থানায় গেলে পুলিশ অভিযোগটি গ্রহণ করেনি। পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেয়া হবে না বলে থানার ডিউটি অফিসার শাসিয়ে আমার বোনকে থানা থেকে বের করে দেন। এমতাবস্থায় নিরূপায় হয়ে কোনো উপয়ান্তর না পেয়ে আমরা আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। গত ২৫/০৮/২০১৪ ইং তারিখে সিলেটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে আমার বোন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন। – See more at: http://www.dainiksylhet.com/details/newsdetails/1837#.VASXhKPmh1s

You may also like

Leave a Comment


cheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseys