সিলেটের মদন মোহন কলেজে ছাত্রলীগের ‘ভয়ে’ পুলিশ প্রহরায় ঢুকলেন অধ্যক্ষ!

by News Room

নিউজ ডেস্ক: সিলেটের মদন মোহন কলেজ ছাত্রলীগের দাপটের কাছে  অসহায় হয়ে পড়ছেন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। এক প্রকার জিম্মি অবস্থায় অনার্স, ডিগ্রি কিংবা ইন্টারমিডিয়েটের রেজিষ্ট্রেশন ও ভর্তির কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে প্রশাসনের । শুধু তাই নয়, ছাত্রলীগের দাপটের কারণে মঙ্গলবার  কলেজের অধ্যক্ষ আবুল ফতেহ ফাত্তাহকে পুলিশ পটকলে  ক্যাম্পাসে ঢুকতে হয়েছে! অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের রেজিষ্ট্রেশন ও ৩য় বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম দু‘দিন ধরে বন্ধ রেখেছিলো ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। গত রোববার শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন ও ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখেন ছাত্রলীগের নেতারা। এরই প্রেক্ষিতে প্রশাসন ও ছাত্রলীগের সমোঝতা না হওয়াতে সোমবার ক্যাম্পাসে আবারো কার্যক্রম বন্ধ রাখে ছাত্রলীগের ক্যাডারার। পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে অধ্যক্ষ আবুল ফতেহে ফাত্তাহ পুলিশ নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকেন। জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার না করে বলেন, ছাত্রলীগের ছেলেরা দু‘দিন ক্যাম্পাসে ঝামলা করেছে ঠিক। যার কারণে ঝামেলা এড়াতে প্রতিদিন ক্যাম্পাসে অবস্থান করে। আজ আমি একটু দেরিতে ক্যাম্পাসে আসছিলাম এবং এই সময়টাতে পুলিশ ও কলেজে ঢুকে!   তবে প্রত্যক্ষদর্শী বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আলাপকালে জানায়, টাকা নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে বনিবনা না হওয়ার ফলে সোমবার ক্যাম্পাসে শক্ত অবস্থান নেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ।তারা শিক্ষার্থীদের কোন শ্রেনী কক্ষে ঢুকতে দেয়নি। এ সময় অধ্যক্ষ ক্যাম্পাসে ছিলেন না। পুলিশ পটকলে সকাল সাড়ে ১০টার পর ক্যাম্পাসে আসেন তিনি।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দুই শিক্ষার্থী জানান,  অনার্স ২য় ও ৩য় বর্ষের ভর্তি দু‘দিন ধরে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা বন্ধ রেখেছে। তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভর্তি হতে বাধা দিচ্ছে। যারা ইতিমধ্যে কলেজের নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করেছে তাদের কার্যক্রমও চালাতে দিচ্ছে না।  যদি  কোন শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের কথার অমান্য হয়ে কলেজের ভর্তি কার্যক্রম সম্পূর্ণ করতে যায়। তাহলে তাকে ডেকে নিয়ে গালমন্দ ও লাঞ্চিত করা হয়। শিক্ষকদের বলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায় না।  এদিকে কলেজের একটি বিশ্বস্থ সূত্র জানিয়েছে, ছাত্রলীগ নেতাদের সাথে সোমবার সমঝোতা হওয়ার পরই কলেজে ভর্তি কার্যক্রম আবার শুরু হয়। এতে ছাত্রলীগের জন্য নিদ্দিষ্ট একটি কোটা রাখা হয়েছে।  এই ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতাদের ২০১৩ সালে সিলেটের একটি অনুষ্টানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ৭০ লাখ টাকা আত্মস্বাধের অভিযোগ তুলে বলেন ‘এরা (ছাত্রনেতারা) বদমাশ’।  এছাড়া একাধিকবার অর্থমন্ত্রীর নির্দেশের পরও ছাত্রলীগের বাধার কারণে কলেজের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা যায়নি ।  এদিকে, ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ জানান,  ছাত্রলীগের সাথে সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।

সিলেটের মদন মোহন কলেজ ছাত্রলীগের দাপটের কাছে  অসহায় হয়ে পড়ছেন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। এক প্রকার জিম্মি অবস্থায় অনার্স, ডিগ্রি কিংবা ইন্টারমিডিয়েটের রেজিষ্ট্রেশন ও ভর্তির কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে প্রশাসনের । শুধু তাই নয়, ছাত্রলীগের দাপটের কারণে মঙ্গলবার  কলেজের অধ্যক্ষ আবুল ফতেহ ফাত্তাহকে পুলিশ পটকলে  ক্যাম্পাসে ঢুকতে হয়েছে! অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের রেজিষ্ট্রেশন ও ৩য় বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম দু‘দিন ধরে বন্ধ রেখেছিলো ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। গত রোববার শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন ও ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখেন ছাত্রলীগের নেতারা। এরই প্রেক্ষিতে প্রশাসন ও ছাত্রলীগের সমোঝতা না হওয়াতে সোমবার ক্যাম্পাসে আবারো কার্যক্রম বন্ধ রাখে ছাত্রলীগের ক্যাডারার। পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে অধ্যক্ষ আবুল ফতেহে ফাত্তাহ পুলিশ নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকেন। জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার না করে বলেন, ছাত্রলীগের ছেলেরা দু‘দিন ক্যাম্পাসে ঝামলা করেছে ঠিক। যার কারণে ঝামেলা এড়াতে প্রতিদিন ক্যাম্পাসে অবস্থান করে। আজ আমি একটু দেরিতে ক্যাম্পাসে আসছিলাম এবং এই সময়টাতে পুলিশ ও কলেজে ঢুকে!

তবে প্রত্যক্ষদর্শী বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আলাপকালে জানায়, টাকা নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে বনিবনা না হওয়ার ফলে সোমবার ক্যাম্পাসে শক্ত অবস্থান নেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ।তারা শিক্ষার্থীদের কোন শ্রেনী কক্ষে ঢুকতে দেয়নি। এ সময় অধ্যক্ষ ক্যাম্পাসে ছিলেন না। পুলিশ পটকলে সকাল সাড়ে ১০টার পর ক্যাম্পাসে আসেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দুই শিক্ষার্থী জানান,  অনার্স ২য় ও ৩য় বর্ষের ভর্তি দু‘দিন ধরে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা বন্ধ রেখেছে। তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভর্তি হতে বাধা দিচ্ছে। যারা ইতিমধ্যে কলেজের নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করেছে তাদের কার্যক্রমও চালাতে দিচ্ছে না।  যদি  কোন শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের কথার অমান্য হয়ে কলেজের ভর্তি কার্যক্রম সম্পূর্ণ করতে যায়। তাহলে তাকে ডেকে নিয়ে গালমন্দ ও লাঞ্চিত করা হয়। শিক্ষকদের বলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায় না।

এদিকে কলেজের একটি বিশ্বস্থ সূত্র জানিয়েছে, ছাত্রলীগ নেতাদের সাথে সোমবার সমঝোতা হওয়ার পরই কলেজে ভর্তি কার্যক্রম আবার শুরু হয়। এতে ছাত্রলীগের জন্য নিদ্দিষ্ট একটি কোটা রাখা হয়েছে।

এই ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতাদের ২০১৩ সালে সিলেটের একটি অনুষ্টানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ৭০ লাখ টাকা আত্মস্বাধের অভিযোগ তুলে বলেন ‘এরা (ছাত্রনেতারা) বদমাশ’।

এছাড়া একাধিকবার অর্থমন্ত্রীর নির্দেশের পরও ছাত্রলীগের বাধার কারণে কলেজের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা যায়নি ।

এদিকে, ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ জানান,  ছাত্রলীগের সাথে সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। – See more at: http://www.sylheterkantho24.com/news/details/Sylhet/8445#sthash.nRcAA2xi.dpuf

You may also like

Leave a Comment


cheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseys