রাত পোহালেই বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচন: সম্পদের দিকে এগিয়ে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীরা জনপ্রিয়তায় জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী এগিয়ে

by News Room

বিয়ানীবাজার ঘুরে ইয়াইহয়া আহমদ:

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৬ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে সম্পদশালী আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। আর জনপ্রিয়তায় জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী এগিয়ে। সম্পদের বিবেচনায় আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আতাউর রহমান খান। ‘আইকন’ পাস আতাউর পোল্ট্রি খামার এর ব্যবসায়ী তার বার্ষিক আয় ২ ল ৬ হাজার টাকা। তার ৩৭ ল ৮৫ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। আর জনপ্রিয়তায় তিনি রয়েছেন ৩য় স্থানে। সম্পদের বিবেচনায় ২য় স্থানে রয়েছেন আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: খসরুল হক, তার বার্ষিক আয় ২ ল টাকা। তার ২৩ ল ৯২ হাজার ৮ শত ৫৭ টাকার সম্পদ রয়েছে। জনপ্রিয়তায় তিনি আছেন ৫ম স্থান। জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মো: ফয়জুল ইসলামের বার্ষিক আয় ২ ল ৮০ হাজার টাকা। তার ১৫ ল ১০ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। জনপ্রিয়তায় তিনি রয়েছেন সবার শীর্ষে। আওয়ামীলীগের আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কাশেমের বার্ষিক আয় ৩ ল ১৪ হাজার টাকা। তার ৭ ল ৫৭ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। জনপ্রিয়তায় তিনি রয়েছেন ২য় স্থানে। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল মান্নানের বার্ষিক আয় ১ ল টাকা। তার ৩ ল  ১২ হাজার ৮ শত ৫৭ টাকার সম্পদ রয়েছে। জনপ্রিয়তায় তিনি রয়েছেন ৪র্থ স্থানে।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী রয়েছেন ১০ জন। বিএনপির-৪, আওয়ামীলীগ-২, জামায়াত-১, জমিয়তে উলামা-১, স্বতন্ত্র-২ জন। এদের মধ্যে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল করিমের হরফনামায় পেশার কোটা শূন্য থাকলেও তার বার্ষিক আয় ১ ল ১০ হাজার টাকা বলে উল্লেখ করেন।  তার  ১ ল ৫৫ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আলমগীর হোসেনের বার্ষিক আয়  ১ ল  ১৫ হাজার টাকা এবং সাড়ে ১৩ ল টাকার সম্পদ রয়েছে তার। জনপ্রিয়তায় তিনি রয়েছেন ২য় স্থানে। জমিয়ত সমর্থিত প্রার্থী শিব্বির আহমদের বার্ষিক আয় ১ ল ৯৩ হাজার টাকা এবং  ৫ ল ২০ হাজার ৫শত টাকার সম্পদ রয়েছে তার।  জনপ্রিয়তায় তিনি রয়েছেন ৩য় স্থানে।  আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী  মো: ফয়ছল আহমদ তার বার্ষিক আয় ১ ল ২০ হাজার টাকা এবং ২ ল ৩০ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। বিএনপি সমর্থিত আরেক প্রার্থী মিছবাহ উদ্দিনের বার্ষিক আয় ৫০ হাজার টাকা তার ৩০ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। বিএনপি নেতা সিদ্দিক আহমদের বার্ষিক আয় ৬৫ হাজার টাকা এবং তার দেড় ল টাকার সম্পদ রয়েছে। জামায়াত সমর্থিত একক প্রার্থী মো: ফরিদ আহমদের বার্ষিক আয়ের ঘরে শূন্য থাকলেও তার ৩০ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে কিন্তু তিনি রয়েছেন জনপ্রিয়তার সবার শীর্ষে। বিএনপির মো: গিয়াস উদ্দিনের বার্ষিক আয় ৫৬ হাজার টাকা তার ১ ল ৪৫ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: জমির হোসেনের বার্ষিক আয় ১ ল ৫৬ হাজার টাকা তার ১ ল ১০ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম আহমদের বার্ষিক আয় ৫ ল ২০ হাজার টাকা তিনি তার হলফনামায় অস্থাবর সম্পদের কোন তথ্য দেননি। এইসব প্রার্থীদের কোন পেশা না থাকা সত্বেও তারা বৎসরে ল ল টাকা কেউ আয় করেন?

You may also like

Leave a Comment


cheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseys