ভোটার নেই, তবু ভোট পড়েছে ৯০ ভাগ!

by News Room

ফখরুল ইসলাম ও সাইফুল হক মোল্লা, কিশোরগঞ্জ থেকে:বেলা একটা। ঘটনাস্থল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার কাজলা আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্র। প্রার্থী দুজন। একজন জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু। প্রতীক লাঙ্গল। আরেকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুল হক। প্রতীক হরিণ। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবদুল কুদ্দুস জানান, কেন্দ্রের দুই হাজার ১১৯ ভোটের মধ্যে এক হাজার ৮০০ ভোট পড়েছে। সরেজমিনে গিয়ে কোনো ভোটার দেখা যায়নি। ভোটার কোথায়? জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবাই আগেভাগে ভোট দিয়ে চলে গেছেন, এজন্য কোনো ভোটার দেখা যাচ্ছে না। পোলিং কর্মকর্তা মুজাহিদুল ইসলাম জানান, সবাই ভোট দিয়ে চলে গেছেন। এ জন্য কেন্দ্রে কেউ নেই।

আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুল হকের হরিণ প্রতীকের কোনো এজেন্টও নেই। লাঙ্গলের এজেন্ট আবুল হাশেম জানান, হরিণ মার্কার কোনো এজেন্ট সেখানে নেই। কেন্দ্রটি লাঙ্গলের প্রার্থী মুজিবুল হক চুন্নুর বাড়ির কাছে।

বেলা একটা পর্যন্ত কাজলা আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে এক হাজার ৮০০ ভোট পড়েছে, সেখানে করিমগঞ্জের আরেকটি কেন্দ্র নেয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র একেবারেই অন্য রকম। ওই কেন্দ্রে মোট ভোটার দুই হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে বেলা একটা পর্যন্ত ২০৯টি ভোট পড়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আতাউর রহমান এ তথ্য জানান। নেয়ামতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা ফারুক নাদিম জানান, লোকজন দুপুরের পরে আসবে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুল হক বলেন, ‘এই নির্বাচন হচ্ছে ’৮৬ সালের ভোট ডাকাতির নির্বাচন। মৃত্যুভয়ে আমার এজেন্টরা ওই কেন্দ্র দিয়ে যেতে পারেননি।’

জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, বাড়ির কাছাকাছি কেন্দ্র হওয়ায় সকালবেলাতেই তাঁরা ভোট দিয়ে চলে গেছেন। সকালনয়টার দিকে ভোটের লাইন ছিল বলে তিনি দাবি করেন।

You may also like

Leave a Comment


cheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseys