দেশের সবচেয়ে নান্দনিক সিলেট শহীদ মিনারের উদ্বোধন

by News Room

সিলেটের খবর ডেস্ক: দেশের সবচেয়ে নান্দনিক শহীদ মিনারের উদ্বোধন হয়েছে সিলেটে। অপরূপ নান্দনিকতার সাথে সিলেটি ঐতিহ্যকে মিশিয়ে নির্মিত হয়েছে শহীদ মিনারটি। সিলেটের চা বাগানগুলোর ফাঁক দিয়ে প্রতিটি নতুন ভোরে নব দিগন্তে রক্তিম সূর্য যেভাবে উঁকি মারে, সেই রূপ আর আবহমান বাংলার সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই শহীদ মিনার। দেশের অন্যতম এই আকর্ষণীয় ও নজরকাড়া শহীদ মিনার গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রীসহ তিন মন্ত্রী। উদ্বোধনকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই উৎসবমুখর ছিল সিলেট। গতকাল সন্ধ্যায় সোয়া ৬টায় পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়। এছাড়া উদ্বোধন উপলক্ষে গ্রহণ করা হয়েছে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচী।  এ অঞ্চলের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার হিসেবে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মিত হয় ১৯৮৮ সালে। ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা ও কিছু প্রতিশ্রæতিশীল মানুষের হাত ধরেই বীজ বপীত হয় সেই শহীদ মিনারের। পরবর্তীতে সেই শহীদ মিনারই সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মর্যাদা লাভ করে। গত বছর হেফাজতে ইসলামীর মিছিল থেকে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় শহীদ মিনারটি। পরে শহীদ মিনার পরিদর্শনে এসে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এটি পুনঃনির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সিসিক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।  একশ ফুট চওড়া ভূমির উপর ৪৫ ফুট উচ্চতার স্তম্ভটির মাধ্যমে আন্দোলিত ভূমি থেকে জেগে ওঠা বাঙালির আবহমান সংগ্রামী চেতনাকে উপলক্ষ করে শহীদ মিনারটির অনন্য দৃষ্টিনন্দন নকশা আঁকেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষক শুভজিৎ চৌধুরী। তাঁর সহযোগী হিসেবে কাজ করেন আরো কয়েকজন। গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর শহীদ মিনারের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। শহীদ মিনারের আগের ১৯ শতক জমির সাথে শহীদ সামসুদ্দীন হাসপাতাল থেকে আরো ১৭ শতক জমি নিয়ে নির্মিত হয় নতুন শহীদ মিনারটি। নকশা অনুযায়ী শহীদ মিনারের মূল স্তম্ভের পেছনে অনেকটা সবুজ টিলার মতোই ভাঁজ ভাঁজ আন্দোলিত ভূমি। মূল স্তম্ভের ঠিক মধ্যখানে লাল গোলাকৃতি বস্তুটি অবিকল সূর্যোদয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।  কয়েকদিন আগে কাজ শেষ হওয়া পুনঃনির্মিত শহীদ মিনার উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সিলেট জুড়ে। পুরো শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আঁকা হয় দৃষ্টিনন্দন আল্পনা। গতকাল বুধবার সকাল থেকেই লোকারণ্য হয়ে পড়ে শহীদ মিনার প্রাঙ্গন। সকাল থেকেই চলতে থাকে মুক্তিযুদ্ধের গান, লোকগীতি। সন্ধ্যা ৬টায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত প্রধান অতিথি হিসেবে শহীদ মিনার উদ্বোধনকালে পুরো শহীদ মিনার এলাকায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। এসময় মানুষের চাপে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। অর্থমন্ত্রীর সাথে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, জেলার সভাপতি আব্দুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিসিক’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব প্রমুখ।

দেশের সবচেয়ে নান্দনিক শহীদ মিনারের উদ্বোধন হয়েছে সিলেটে। অপরূপ নান্দনিকতার সাথে সিলেটি ঐতিহ্যকে মিশিয়ে নির্মিত হয়েছে শহীদ মিনারটি। সিলেটের চা বাগানগুলোর ফাঁক দিয়ে প্রতিটি নতুন ভোরে নব দিগন্তে রক্তিম সূর্য যেভাবে উঁকি মারে, সেই রূপ আর আবহমান বাংলার সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই শহীদ মিনার। দেশের অন্যতম এই আকর্ষণীয় ও নজরকাড়া শহীদ মিনার গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রীসহ তিন মন্ত্রী। উদ্বোধনকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই উৎসবমুখর ছিল সিলেট। গতকাল সন্ধ্যায় সোয়া ৬টায় পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়। এছাড়া উদ্বোধন উপলক্ষে গ্রহণ করা হয়েছে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচী।

এ অঞ্চলের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার হিসেবে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মিত হয় ১৯৮৮ সালে। ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা ও কিছু প্রতিশ্রæতিশীল মানুষের হাত ধরেই বীজ বপীত হয় সেই শহীদ মিনারের। পরবর্তীতে সেই শহীদ মিনারই সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মর্যাদা লাভ করে। গত বছর হেফাজতে ইসলামীর মিছিল থেকে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় শহীদ মিনারটি। পরে শহীদ মিনার পরিদর্শনে এসে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এটি পুনঃনির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সিসিক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

একশ ফুট চওড়া ভূমির উপর ৪৫ ফুট উচ্চতার স্তম্ভটির মাধ্যমে আন্দোলিত ভূমি থেকে জেগে ওঠা বাঙালির আবহমান সংগ্রামী চেতনাকে উপলক্ষ করে শহীদ মিনারটির অনন্য দৃষ্টিনন্দন নকশা আঁকেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষক শুভজিৎ চৌধুরী। তাঁর সহযোগী হিসেবে কাজ করেন আরো কয়েকজন। গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর শহীদ মিনারের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। শহীদ মিনারের আগের ১৯ শতক জমির সাথে শহীদ সামসুদ্দীন হাসপাতাল থেকে আরো ১৭ শতক জমি নিয়ে নির্মিত হয় নতুন শহীদ মিনারটি। নকশা অনুযায়ী শহীদ মিনারের মূল স্তম্ভের পেছনে অনেকটা সবুজ টিলার মতোই ভাঁজ ভাঁজ আন্দোলিত ভূমি। মূল স্তম্ভের ঠিক মধ্যখানে লাল গোলাকৃতি বস্তুটি অবিকল সূর্যোদয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

কয়েকদিন আগে কাজ শেষ হওয়া পুনঃনির্মিত শহীদ মিনার উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সিলেট জুড়ে। পুরো শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আঁকা হয় দৃষ্টিনন্দন আল্পনা। গতকাল বুধবার সকাল থেকেই লোকারণ্য হয়ে পড়ে শহীদ মিনার প্রাঙ্গন। সকাল থেকেই চলতে থাকে মুক্তিযুদ্ধের গান, লোকগীতি। সন্ধ্যা ৬টায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত প্রধান অতিথি হিসেবে শহীদ মিনার উদ্বোধনকালে পুরো শহীদ মিনার এলাকায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। এসময় মানুষের চাপে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। অর্থমন্ত্রীর সাথে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, জেলার সভাপতি আব্দুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিসিক’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব প্রমুখ। – See more at: http://www.sylhetview24.com/news/details/Sylhet/18899#sthash.sYooDmLm.dpuf

You may also like

Leave a Comment


cheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseys