ডার্ক ইজ বিউটিফুল

by News Room

সিলেটের খবর ডেস্ক:’ডার্কইজ বিউটিফুল’ বা ‘কালোই সুন্দর’ – এই প্রচার বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং ফর্সা নারী মানেই যে সুন্দর না, সে বিতর্ককে আবারো উস্কে দিয়েছে এই প্রচার। তবে মানুষের ভাবনায় পরিবর্তন আনাটা জরুরি বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।

‘ফায়ার’, ‘আর্থ’, ‘ফিরাক’ – ভিন্নধর্মী এসব ছবির মাধ্যমে বলিউডে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন অভিনেত্রী নন্দিতা দাস। ‘ডার্ক ইজ বিউটিফুল’ পোস্টারে স্থান পেয়েছে তার ছবি। মেয়েরা গায়ের রং ফর্সা না হওয়াতে ভারতীয় সমাজে কি ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়েছেন, বিশেষ করে বলিউডে, তা জানিয়েছেন তিনি।

তার কথায়, গায়ের রং কালো হলে গ্রামের কোনো নারী বা বস্তির মহিলার চরিত্র দেয়া হয় সেই অভিনেত্রীকে, কেননা বাণিজ্যিক ছবির নায়িকা হতে হলে তাকে ফর্সা হতে হবেই।ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এই বৈষম্য খুব বেশি চোখে পড়ে। মডেল থেকে অভিনেত্রী – সকলেই ফর্সা। যেসব সৌন্দর্য্য পণ্যের তারা বিজ্ঞাপন করেন, সেগুলো বেশিরভাগই ‘ফেয়ারনেস ক্রিম’-এর এবং দর্শক তাদের রোল মডেল হিসেবে বেছে নেন।

নন্দিতা বলেন, প্রাচীন কাল থেকে এভাবেই শ্রেণি ভেদে কালো-সাদার বৈষম্য চলে আসছে। ধনীরা বাড়ির ভেতর থাকবে, সূর্যের আলো গায়ে মাখবে না, তাই তাঁদের রং হবে ফর্সা, আর যাঁরা গরিব, মাঠে ঘাটে কাজ করেন, সারা দিন রোদে পোড়েন তাদের রং হয় কালো – এভাবেই।

কালো-ফর্সার বদ্ধমূল ধারণা যা সমাজের বেশিরভাগ মানুষের মনের গভীরে রোপিত হয়ে আছে, সেটা উপড়ে ফেলতেই কাজ করছে একটি এনজিও-র ‘ডার্ক ইজ বিউটিফুল ক্যাম্পেইন’। ২০০৯ সালে শুরু হয় তাদের যাত্রা।

‘ওমেন অফ ভোর্থ’ নামের ঐ বেসরকারি সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক কবিতা ইমানুয়েল ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, কালো ও ফর্সা নিয়ে সমাজের বেশিরভাগ মানুষের চিন্তা-চেতনাতে পরিবর্তন আনাটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা যাদের গায়ের রং চাপা, তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেয় এই এনজিওটি।

You may also like

Leave a Comment


cheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseys