জানুয়ারিতে অপেক্ষায় তিনটি শৈত্যপ্রবাহ

by News Room

সিলেটের খবর ডেস্ক :  নতুন বছরে শুরুতে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আবার কমবে তাপমাত্রা। শুধু তাই নয় চলতি মাসেই অপক্ষোয় করছে তিনটি। যার মধ্যে দুইটি তীব্র এবং একটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার আবহাওয়ার অধিদপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুউদ্দিন আহমেদ জানান, ৩ জানুয়ারির পর থেকে দেশের তাপমাত্রা কমতে থাকবে। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। ৬ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। মাসের মাঝামাঝিতে জেঁকে বসতে পারে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। মাসের শেষদিকে আবারও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওযার সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় কনকনে শীত অনুভূত হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রভাব বেশি থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শৈত্যপ্রবাহ ও সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলতে রাতের তাপমাত্রা ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকবে। ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং আট থেকে ১০ ডিগ্রি হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। ১০ জানুয়ারির পর মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ ও মাসের শেষ সপ্তাহে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বয়ে যাবে। এসময় রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা বিভাগের কিছু অংশ, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও চট্টগ্রামের বাঘাইছড়িতে শীতের তীব্রতা বেশি থাকবে। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে দিকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ থাকবে।

নতুন বছরে শুরুতে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আবার কমবে তাপমাত্রা। শুধু তাই নয় চলতি মাসেই অপক্ষোয় করছে তিনটি। যার মধ্যে দুইটি তীব্র এবং একটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার আবহাওয়ার অধিদপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুউদ্দিন আহমেদ জানান, ৩ জানুয়ারির পর থেকে দেশের তাপমাত্রা কমতে থাকবে। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। ৬ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। মাসের মাঝামাঝিতে জেঁকে বসতে পারে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। মাসের শেষদিকে আবারও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওযার সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় কনকনে শীত অনুভূত হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রভাব বেশি থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শৈত্যপ্রবাহ ও সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলতে রাতের তাপমাত্রা ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকবে। ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং আট থেকে ১০ ডিগ্রি হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। ১০ জানুয়ারির পর মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ ও মাসের শেষ সপ্তাহে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বয়ে যাবে। এসময় রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা বিভাগের কিছু অংশ, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও চট্টগ্রামের বাঘাইছড়িতে শীতের তীব্রতা বেশি থাকবে। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে দিকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ থাকবে।

নতুন বছরে শুরুতে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আবার কমবে তাপমাত্রা। শুধু তাই নয় চলতি মাসেই অপক্ষোয় করছে তিনটি। যার মধ্যে দুইটি তীব্র এবং একটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার আবহাওয়ার অধিদপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুউদ্দিন আহমেদ জানান, ৩ জানুয়ারির পর থেকে দেশের তাপমাত্রা কমতে থাকবে। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। ৬ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। মাসের মাঝামাঝিতে জেঁকে বসতে পারে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। মাসের শেষদিকে আবারও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওযার সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় কনকনে শীত অনুভূত হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রভাব বেশি থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শৈত্যপ্রবাহ ও সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলতে রাতের তাপমাত্রা ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকবে। ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং আট থেকে ১০ ডিগ্রি হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। ১০ জানুয়ারির পর মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ ও মাসের শেষ সপ্তাহে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বয়ে যাবে। এসময় রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা বিভাগের কিছু অংশ, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও চট্টগ্রামের বাঘাইছড়িতে শীতের তীব্রতা বেশি থাকবে। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে দিকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ থাকবে।

নতুন বছরে শুরুতে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আবার কমবে তাপমাত্রা। শুধু তাই নয় চলতি মাসেই অপক্ষোয় করছে তিনটি। যার মধ্যে দুইটি তীব্র এবং একটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার আবহাওয়ার অধিদপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুউদ্দিন আহমেদ জানান, ৩ জানুয়ারির পর থেকে দেশের তাপমাত্রা কমতে থাকবে। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। ৬ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। মাসের মাঝামাঝিতে জেঁকে বসতে পারে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। মাসের শেষদিকে আবারও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওযার সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় কনকনে শীত অনুভূত হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রভাব বেশি থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শৈত্যপ্রবাহ ও সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলতে রাতের তাপমাত্রা ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকবে। ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং আট থেকে ১০ ডিগ্রি হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। ১০ জানুয়ারির পর মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ ও মাসের শেষ সপ্তাহে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বয়ে যাবে। এসময় রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা বিভাগের কিছু অংশ, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও চট্টগ্রামের বাঘাইছড়িতে শীতের তীব্রতা বেশি থাকবে। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে দিকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ থাকবে।

নতুন বছরে শুরুতে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আবার কমবে তাপমাত্রা। শুধু তাই নয় চলতি মাসেই অপক্ষোয় করছে তিনটি। যার মধ্যে দুইটি তীব্র এবং একটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার আবহাওয়ার অধিদপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুউদ্দিন আহমেদ জানান, ৩ জানুয়ারির পর থেকে দেশের তাপমাত্রা কমতে থাকবে। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। ৬ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। মাসের মাঝামাঝিতে জেঁকে বসতে পারে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। মাসের শেষদিকে আবারও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওযার সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় কনকনে শীত অনুভূত হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রভাব বেশি থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শৈত্যপ্রবাহ ও সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলতে রাতের তাপমাত্রা ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকবে। ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং আট থেকে ১০ ডিগ্রি হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। ১০ জানুয়ারির পর মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ ও মাসের শেষ সপ্তাহে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বয়ে যাবে। এসময় রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা বিভাগের কিছু অংশ, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও চট্টগ্রামের বাঘাইছড়িতে শীতের তীব্রতা বেশি থাকবে। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে দিকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ থাকবে।

You may also like

Leave a Comment


cheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseys